উক্তি

বিপদ নিয়ে উক্তি,ক্যাপশন,স্ট্যাটাস

এখানে জীবনে কিছু বিপদ নিয়ে উক্তি,ক্যাপশন কিছু এবং বিপদ সম্পর্কে আয়াত লিখুন। এতে বিপদের আশা করা প্রতিদিনের ব্যাপার। মানুষের জীবনের কাছে। এটা মানে না যে আমরা সবসময় একই. কখনো আমরা খুব ভালো আবার কখনো বিপদে পড়ি। এটা আমাদের জীবনের একটি নিয়ম। নিষেধ ছাড়া আজ আমরা এ সম্পর্কিত কিছু উক্তি বাস্ট্যাটাস দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

মানুষের জীবনে যেমন আনন্দ ও সুখ আছে, তেমনি বিপদ ও বাধার উপস্থিতিও একটি নির্দিষ্ট সত্য। সব সময় কোনো মানুষের সমান নয়; এটি জীবনের প্রতিদিনের টেনার উত্থান-পতন। যাইহোক, যখন বিপদ আসে, একজনকে নিরুৎসাহিত করা উচিত নয়, বরং এর মুখোমুখি হওয়া এবং এগিয়ে যাওয়া এবং সেখানেই জীবনের অর্থ নিহিত। এখানে কিছু বিপদ নিয়ে উক্তি বা বিপদের অবস্থা রয়েছে যা, আশা করি, আপনার মনোবল বাড়াতে সাহায্য করবে।

বিপদ নিয়ে উক্তি

আজকের পোস্টে, বিপদ সম্পর্কে উদ্ধৃতি, আপনি বিপদে পড়লে মানুষকে চিনতে পারেন, বিপদ সম্পর্কে স্ট্যাটাস, বিপদ সম্পর্কে কিছু শব্দ, বিপদ সম্পর্কে ক্যাপশন এবং বিপদ সম্পর্কে কবিতা। অনেকে বিখ্যাত চিন্তাবিদদের কাছ থেকে নির্বাচিত উদ্ধৃতি সংগ্রহ করতে চান। কারণ ইন্টারনেটে ব্যবহার সম্পর্কে অনেক ধরনের ডেটিং রয়েছে। তাদের অনেকেই কোট বা স্ট্যাটাস বাছাই করতে চান। কারণ নির্বাচিত বিপদ নিয়ে উক্তি,ক্যাপশন,স্ট্যাটাসগুলো খুবই জনপ্রিয়। তাই, আজকের পোস্টে আমরা তাদের জন্য কিছু সেরা বিপদ বাক্য নির্বাচন করেছি। আপনি সহজেই স্ট্যাটাস সংগ্রহ করতে পারেন এবং আশা করি আপনি তাদের পছন্দ করেন।

সত্যিকারের বিপদ হল যখন স্বাধীনতা খর্ব করা হয়, সুবিধার্থে এবং অংশ দ্বারা।
– এডমন্ড বার্ক

একজন মানুষের জীবনের প্রথম সময়কালে সবচেয়ে বড় বিপদ হল ঝুঁকি না নেওয়া।
– সোরেন কিয়ার্কেগার্ড

দুর্যোগ আমাদের একটি বড় শিক্ষা দিয়েছে – বিপদে পড়লে আমাদের একসাথে দাঁড়াতে হবে।
– পিনারাই বিজয়ন

সেই অল্পসংখ্যক লোকই এখন উন্মত্ত হওয়ার সাহস করে, সেই সময়ের প্রধান বিপদকে চিহ্নিত করে।
– জন স্টুয়ার্ট মিল

সৎ মানুষ বিপদে পরলে সহজে উঠে দাঁড়াতে পারে কিন্তু অসৎ মানুষ বিপদে পরলে অধঃপতনে যায়।

সাহসী মানুষের চোখে বিপদ সূর্যের আলোর মতো জ্বলছে।
– ইউরিপিডিস

সবচেয়ে বড় বিপদ হল জীবনে কোন ঝুঁকি না নেওয়া।
– মার্ক জুকারবার্গ

বিপদে সাধারণ মানুষ হয়ে উঠতে পারে অসাধারণ।
– মাইকেল গ্রান্ট

অত্যাধিক সাহস যেমন জীবনের বিপদ ঠিক তেমনই ভয় হল এর সুরক্ষা কবচ।

মানুষ ততক্ষন পর্যন্ত পরিস্থিতিকে মানিয়ে চলে যতক্ষন না পর্যন্ত বিপদ তার দরজায় এসে কড়া নাড়ে।

ধৈর্য রাখাই বিপদের দিনে একমাত্র ভরসা।

বিপদ যত তাড়াতাড়ি আসে তত তাড়াতাড়ি যায় না।

বিপদ আসলে শক্ত হাতে তার মোকাবিলা করতে হবে তা না হলে বিপদ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না।

বিপদকালীন সময়ে নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিপদ নিয়ে ইসলামিক উক্তি

আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে বিপদে আক্রান্ত করেন।
— (সহিহ বুখারিঃ ৫৬৪৫)

আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য (বিপদ হতে) নিষ্কৃতির পথ তৈরি করে দেন।
— (সুরা : তালাক, আয়াত : ০২)

আল্লাহ তা-আলার সাথে যখন সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়, তখন বিপদ থাকে না। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক সৃষ্টির বড় উপায় হলো খুব বেশি দোয়া করা।
— মুফতি মুহাম্মদ শফী রহঃ

সৎ লোক সবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নিপাত যায়।
— হযরত সুলাইমান (আঃ)

অভিজ্ঞতার কথাই ধরুন, আমি সত্য কথা বলি: নিষ্ক্রিয়তা বিপদে সবচেয়ে নিরাপদ।
– সিলিয়াস ইটালিকাস

আপনার দুর্বলতাকে ও বিপদকে শক্তিতে পরিণত করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলা-ই রাখেন। তাই তাঁর কাছেই প্রার্থনা করুন।
– ড. বিলাল ফিলিপ্স

সাহস যেমন জীবনের বিপদ, তেমনি ভয়ও এর সুরক্ষা।
– লিওনার্দো দা ভিঞ্চি

বিদ্বেষ এবং প্রযুক্তির সমন্বয় মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ।
– সাইমন উইসেন্থাল

বিপদ সংবেদন উত্তেজনাপূর্ণ। নতুন বিপদ খুঁজে বের করা চ্যালেঞ্জ।
– আয়র্টন সেনা

বিপদ নিয়ে ক্যাপশন

আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে বিপদে আক্রান্ত করেন; এটাই তার পরীক্ষায় ঈশ্বরের কাছে বিপদের মুখেও সে কতটা শক্তি সঞ্চয় করে তাকে হাসিমুখে প্রতিহত করতে পারে।

আপনার দুর্বলতাকে ও বিপদকে শক্তিতে পরিণত করার ক্ষমতা একমাত্র পরমেশ্বর ই রাখেন। তাই তাঁর কাছেই অবিরত প্রার্থনা করুন; উনি সঠিক পথ নিশ্চয়ই প্রদর্শন করবেন ।

সৎ লোক যখন বিপদের মুখে পড়ে তখন আবার উঠে দাঁড়াতে সক্ষম হয় কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নিপাত যায়।

ঈশ্বরের সাথে যখন সম্পর্ক স্থাপিত হয় , তখন আর বিপদ থাকে না আর এই দৈবিক সম্পর্ক সম্পর্ক সৃষ্টির বড় উপায় হলো খুব বেশি করে ওনার কাছে প্রার্থনা করা।

একজন সাহসী মানুষের চোখের তারা ঠিক যেন রোদের মতো বিপদ উজ্জ্বল।
সাহস যেমন জীবনের বিপদ, তেমনি ভয় হল এর সুরক্ষা কবচ।

বিদ্বেষ এবং প্রযুক্তির সমন্বয় মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ।

সত্যিকারের বিপদ হল যখন স্বাধীনতা খর্ব করা হয়, নিজের সুবিধার্থে এবং কোনো ব্যক্তিবিশেষ দ্বারা।

একজন মানুষের জীবনের প্রথম সময়কালে সবচেয়ে বড় বিপদ হল ঝুঁকি না নেওয়া।

আমরা এমন এক পৃথিবীতে থাকি যেখানে সবাই প্রকাশক, কেউ সম্পাদক নয় ; আর সেই বিপদই আমরা আজ সবাই মিলে মোকাবিলা করছি।

দুর্যোগ আমাদের একটি বড় শিক্ষা প্রদান করে আর সেটা হল বিপদে পড়লে আমাদের একসাথে দাঁড়াতে হবে। আমাদের জয় তবে নিশ্চিত।

নিষ্ক্রিয বিপদ হোলো সবচেয়ে নিরাপদ।

যদি কোন ব্যক্তি বিপদে পড়ে তবে সেটি সাধারণত রার ই দোষ এবং তা থেকে নিজেকে বের করে আনা কেবল সেই ব্যক্তির ই দায়িত্ব।

বিপদ নিয়ে স্ট্যাটাস

নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে প্রতিটা বিষয়ে ঈশ্বরের উপর ভরসা করুন।

কেননা আপনার জন্য কোনটি কল্যাণকর তা তিনিই ভালো জানেন।

আসল বিপদ এই নয় যে একদিন কম্পিউটার প্রযুক্তি মানুষের মত ভাবনা চিন্তা করতে শুরু করবে, কিন্তু বিপদ সেখানেই ঘনিয়ে আসবে যখন মানব জাতি কম্পিউটারের মত ভাবতে শুরু করবে।

বাহ্যিক বিপদ থেকে সুরক্ষা হচ্ছে জাতীয় আচার -আচরণের সবচেয়ে শক্তিশালী পরিচালক।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রথম উত্তরদাতারা অচেনা নায়ক হলেও তাঁরা একপ্রকার বিশেষ মানুষ হয়ে থাকেন কারণ, যখন অন্য সবাই বিপদ থেকে পালাতে উদ্যত হন, তখন তারা সেখানে ছুটে যান।

সাহস হল প্রকৃতপক্ষে বিপদের পরিমাপের একটি নিখুঁত সংবেদনশীলতা, এবং এটি সহ্য করার মানসিক ইচ্ছা।

বিপদ যতক্ষণ না পর্যন্ত দরজায় জোরে আঘাত না করে ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়া হল মানুষের স্বভাব।

রাজনীতিবিদরা যতই কমনীয় হোক না কেন সেটি মূলত তাদের বাহ্যিক বহিঃপ্রকাশ। এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে সুপ্ত বিপদ।

বিপদকে ভয় করা মানেই পৌরুষকে খর্ব করা।

বিপদে পতিত হওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষ তার মূল্য এবং সামর্থ সম্বন্ধে কোন সঠিক ধারণা করতে পারে না।

বিপদ যত শীঘ্র আসে, তত শীঘ্র যায় না।

বিপদ হল কঠোর শিক্ষাদাতা। অন্যের বিপদ দেখে বিপদ থেকে হও সাবধান—তােমার বিপদ যেন হয় না কারাে শিক্ষার বিষয়।

নিজের বিপদের কথা শত্রুকে বোলো না, সে মুখে দুঃখ প্রকাশ করবে আর অন্তরে উল্লাস বােধ করবে।

বিপদ যখন প্রকৃত আসে যখন কোনােখানেই কূল পাওয়া যায় না।

আরো পড়ুন,

জীবন নিয়ে ইসলামিক উক্তি,স্ট্যাটাস,বাণী,কথা ও কবিতা

সেরা ইসলামিক উক্তি , ২০০ টি ইসলামিক বানী

করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস,সকল জেলার অফিস এর ঠিকানা ও ফোন নম্বর

Liton Roy

আমি লিটন রায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ হতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *